বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়

Biology

বিশ্ব

প্রতিদিন আমাদের শরীরে ঠিক কী পরিমাণ ভিটামিন ডি প্রয়োজন

ভিটামিন ডি আমাদের শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। এটি শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। ফলে হাড় ও দাঁত শক্ত রাখতে ভিটামিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দিতে পারে।ভিটামিন ডি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ এবং প্রধান উৎস হলো সূর্যের আলো। সূর্যের অতিবেগুনি বি (UV-B) রশ্মি ত্বকে পড়লে শরীর নিজেই ভিটামিন ডি তৈরি

বিশ্ব

বিরল রোগ এসএমএ কী, এর ওষুধ কি পাওয়া যায়

মানুষের শরীরে প্রতিনিয়ত প্রোটিন তৈরি হয়। প্রোটিন হলো রাসায়নিক অণু। আকারে বড় অণু। শরীরে বহু ধরনের প্রোটিন তৈরি হয়। একেক প্রোটিনের আকার একেক ধরনের। আবার একেক প্রোটিনের কাজ বা ফাংশনও আলাদা আলাদা। আপনি নিশ্চয়ই ইনসুলিনের নাম শুনেছেন। ইনসুলিন আসলে এক ধরনের প্রোটিন। তেমনি শরীরে একটা প্রোটিন আছে, যেটার নাম সারভাইভাল অব মোটর নিউরন। এই প্রোটিন পরোক্ষভাবে আমাদের পেশি সঞ্চালনে সাহায্য করে। হাঁটতে, দৌড়া

বিশ্ব

মেগার চেয়ে ১৭৪৭ গুণ দ্রুত ডিএনএ সিকুয়েন্স সফটওয়্যার উদ্ভাবন করলেন বাকৃবির গবেষকেরা

মানুষের শরীরের প্রতিটি কোষে রয়েছে ডিএনএ। জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যের অনেক তথ্য লেখা থাকে এই ডিএনএতে। শুধু মানুষ নয়, উদ্ভিদ, প্রাণী কিংবা অণুজীব—প্রতিটি জীবের ডিএনএর গঠন ও বিন্যাসে রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। বিজ্ঞানীরা ডিএনএর এই বিন্যাস বিশ্লেষণ করে জানতে পারেন বিভিন্ন জীবের মধ্যে কতটা মিল, তাদের বিবর্তনীয় সম্পর্ক কেমন, এমনকি কোন জীবের সঙ্গে অন্য জীবের আত্মীয়তা বেশি। কিন্তু এত বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করা মোটে

বিশ্ব

ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে কি সত্যিই মানুষ কম অসুস্থ হয়

শীতের সকালে ঠান্ডা পানিতে গোসল করার কথা শুনলেই অনেকের গা শিউরে ওঠে। অথচ কেউ কেউ নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে গোসল করেন সুস্থ থাকার আশায়। তাঁদের বিশ্বাস, ঠান্ডা পানি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, রক্ত চলাচল ভালো রাখে, এমনকি অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিও কমায়। কিন্তু এসব ধারণার পেছনে কি সত্যিই বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আছে? ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে কি সত্যিই মানুষ কম অসুস্থ হয়, নাকি এটি নিছক প্রচলিত একটি বিশ্বাস?সাম্প্রতিক

বিশ্ব

মৃতপ্রায় গাছের কাছ থেকে দূরে সরে যায় অন্য গাছ

বারান্দায় বা বাগানের টবে থাকা গাছগুলোর দিকে তাকালে মনে হয়, গাছগুলো বড্ড শান্ত, এক জায়গায় চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। ওদের তো আর আমাদের মতো হাত-পা নেই যে বিপদ দেখলে দৌড় লাগাবে! কিন্তু আসলেই কি তাই? উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা কিন্তু একদম অন্য কথা বলছেন। গাছপালা হয়তো আমাদের মতো হেঁটে বা উড়ে বেড়ায় না, কিন্তু তারা প্রতিনিয়ত নড়াচড়া করে। আলোর দিকে হেলে পড়া, মাধ্যাকর্ষণের টানে শেকড় মাটির গভীরে পাঠানো কিংবা

বিশ্ব

প্রথমবার ডাইনোসরের জীবাশ্মে পাওয়া গেল লাল রক্তকণিকা

জুরাসিক পার্ক মুভির সেই কল্পকাহিনী কি তবে সত্যিই বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে? ১১ কোটি ৫০ লাখ বছরের জমাট বাঁধা পাথরের বুকে সুরক্ষিত থাকা ডাইনোসরের লাল রক্তকণিকাগুলো কি আমাদের এমন কোনো ভয়ংকর আণবিক রহস্যের সন্ধান দিতে যাচ্ছে, যা কোটি কোটি বছর আগের পৃথিবীর অজানা প্রাণীদের নতুন করে জাগিয়ে তুলতে পারে...জুরাসিক পার্ক বা জুরাসিক ওয়ার্ল্ড মুভি দেখেছেন? দেখে থাকলেই নিশ্চয়ই জানেন, সেখানে কীভাবে মশার পেটে থাকা ল

বিশ্ব

পারশে মাছ কীভাবে এত দ্রুত বংশবিস্তার করে

শীতের ভোরে দক্ষিণাঞ্চলের কোনো ঘেরে জাল ফেললে সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে পারশে। বৈজ্ঞানিক নাম চেলন সাবভিরিডিস (Chelon subviridis)। আগে ডাকা হতো লাইজা পারসিয়া (Liza parsia) নামে। সম্প্রতি এর গণ পাল্টেছে। মুজিলিডি পরিবারের এই মাছটা সরু, চকচকে, পিঠ কালচে ও পেটের দিকটা রুপালি। চোখজোড়া শরীরের তুলনায় একটু বড়, সবসময় যেন সজাগ কিছু একটা খুঁজছে। দক্ষিণের খাল-বিল, প্যারাবন, অগভীর নোনা জলাশয়—এসব জায়গাতেই এদে

বিশ্ব

ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন

সন্ধ্যার দিকে হয়তো হাঁটতে বেরিয়েছেন, বাতাসে তখন হালকা হিম। হঠাৎ একটা ভারী ও মিষ্টি গন্ধ নাকে এসে লাগল। ওপরে তাকালে চোখে পড়বে বিশাল এক গাছ, যার ডালের প্রতিটি গিঁট থেকে পাতাগুলো ছাতার শিকের মতো চারদিকে ছড়িয়ে আছে। এটাই সেই ছাতিম গাছ, যা সপ্তপর্ণী নামেও পরিচিত। বিজ্ঞানীরা একে ডাকেন Alstonia scholaris নামে।এই গাছ বেশ উঁচু হয়, ডাল বা পাতা ছিঁড়লে সাদা আঠালো কষ বেরিয়ে আসে। এক গিঁটে সাধারণত সাতটি পাতা থাকে

বিজ্ঞাপন