ইন্ডিয়া নিউজ: দিল্লি দূষণের প্রধান কারণ, শীর্ষ আদালত বলছে
সুপ্রিম কোর্ট দাওয়ালি উদযাপনের জন্য আবেদন জানিয়েছে যখন ভারত সরকার দেশটির ভয়াবহ বায়ু দূষণের সমস্যা মোকাবেলা করতে যাচ্ছে। DW এর আরও আছে.
বিষয়
সুপ্রিম কোর্ট দাওয়ালি উদযাপনের জন্য আবেদন জানিয়েছে যখন ভারত সরকার দেশটির ভয়াবহ বায়ু দূষণের সমস্যা মোকাবেলা করতে যাচ্ছে। DW এর আরও আছে.
২০১৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে প্রথম ফুল ফোটানো সম্ভব হয়েছিল। মহাশূন্যে ফুল ফোটানো বেশ কঠিন ছিল। গাছের গোড়ায় কতটা পানি দিতে হবে, অন্য কী ধরনের যত্ন নিতে হবে, এসবের অনেক কিছুই প্রায় অজানা ছিল। তা ছাড়া মহাশূন্যে মাইক্রো গ্র্যাভিটিতে (সীমিত মহাকর্ষ বল) ফুল গাছ কীভাবে বেড়ে উঠবে, সেটাও এক সমস্যা। শেষ পর্যন্ত নভোচারী স্কট ক্যালি ১৭ জানুয়ারি ২০১৬ টুইট করে জিনিয়া ফুল ফোটানোর সুসংবাদ দিয়েছিল। মহাশূ
খেলার সময় বা অন্য কোনোভাবে ব্যথা পেলে শরীরের কোনো অংশ ফুলে যায়। হাঁটা চলাফেরায় সমস্যা হয়। এ অবস্থায় কী করা উচিত? গরম সেঁক না ঠান্ডা বরফের পট্টি লাগাব? বুঝব কীভাবে কোনটায় উপকার বেশি পাব? এ বিষয়ে কয়েকটি পরামর্শ বিবেচনায় রাখা যেতে পারে।সাধারণ ব্যথায় আমরা অনেক সময় গা লাগাই না। কিন্তু পরে দেখা যায় অসহ্য ব্যথা। তাই প্রথমেই বোঝার চেষ্টা করতে হবে ব্যথার মাত্রা কতটা। যদি আঘাত বেশি হয়, তাহলে ব্যথার স্থানে দ
হাতের পাঁচ আঙুল সমান না, এটা আমরা চিরকাল দেখে আসছি। কিন্তু কেন না? কেন ঠিক মাঝের আঙুলটি (মধ্যমা) সবচেয়ে বড়? এর সুনির্দিষ্ট কোনো উত্তর এখনও জানা যায়নি। তবে বিশ্লেষণমূলক ব্যাখ্যা রয়েছে, যা যুক্তিসঙ্গত বলে ধরে নেওয়া যায়। কোনো কাজ করতে গেলে মানুষ সাধারণত মুষ্টিবদ্ধ হাতে শক্ত করে কিছু ধরে। এ সময় মাঝের আঙুলের ওপর চাপ পড়ে। অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্মে মাঝের আঙুলটির ব্যবহার এমন যে সেটা মোটামুটি শক্ত না
ম্যাজিকের মধ্যেও বিজ্ঞান থাকে। মার্টিন গার্ডনারের লেখা সায়েন্স ম্যাজিক বইয়ে এ রকম অনেক মজার কৌশলের বর্ণনা আছে। যেমন, কেউ আপনাকে একটা ডিম দিয়ে জিজ্ঞেস করল, বলুন তো কাঁচা না সেদ্ধ? আপনি একটু নাড়া দিয়ে বোঝার চেষ্টা করবেন। কারণ, কাঁচা ডিমের ভেতরের কুসুম ও তার চারপাশের তরল অংশ নড়বে। তবে নিশ্চিতভাবে জানতে হলে ডিমটি কোনো শক্ত তলের ওপর রেখে ঘোরাতে (স্পিন) হবে।সেদ্ধ ডিম বেশ জোরে ঘুরবে, কিন্তু কাঁচা ডিম ঘোর
ধরুন আপনি আমেরিকায় যাচ্ছেন। সঙ্গে আম বা পেঁপে নিয়েছেন। আপনাকে এয়ারপের্টে জিজ্ঞেস করবে, সঙ্গে কোনো টাটকা ফল আছে কি না, থাকলে তা নিতে দেবে না। ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়াসহ অনেক দেশেই এই আইন। ওরা ফল নিতে দেয় না, কারণ ফলে যে পোকা বা অণুজীব থাকে, তা ওইসব দেশে ছড়িয়ে পড়লে তাদের সর্বনাশ হবে। তাদের দেশের ফলও পোকায় বা অণুজীবে আক্রান্ত হবে। সে জন্য বিদেশে ফল রপ্তানি করতে হলে তা প্রচলিত পদ্ধতিতেই করা হয়, তবে গামারশ্ম
ধরুন এক ইংরেজ পরিবার কোনো বাঙালি শিশুকে দত্তক হিসেবে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে সে খাঁটি আমেরিকান অ্যাকসেন্টে ইংরেজি শিখবে সহজে। বড় হয়ে সে যদি তার মাতৃভাষা বাংলা শেখার চেষ্টা করে, তাহলে পারবে, যদিও অসুবিধা হবে। একটু কঠিন লাগবে। সময় লাগবে। বাংলা উচ্চারণও ঠিকভাবে হবে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাঙালি পরিবারের সন্তানেরা শিশু অবস্থা থেকেই বাসায় মাতৃভাষা বাংলায় কথা বলা, পড়া ও লেখা যেমন সহজে শি
অনেক সময় গাছের কাণ্ডে টিউমারের মতো এবড়োখেবড়ো উঁচু উঁচু ঢিবি দেখা যায়। এগুলো কি গাছের ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে? না, গাছের কখনো ক্যানসার হয় না। মানুষের টিউমার থেকে ক্যানসার হতে পারে, কিন্তু গাছের ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। কোনো অঙ্গের প্রাণকোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকলে মানুষের ক্যানসার হতে পারে। একসময় ওই কোষগুলো টিউমার আকারে ফুলে উঠতে পারে। এই ত্রুটিপূর্ণ প্রাণকোষগুলো তার উৎসস্থল থেকে ছিটকে গিয়ে
এককথায় বলা যায়, শূন্যের সংখ্যা দুই, চার, ছয়... হতে হবে। অর্থাৎ, জোড়সংখ্যক শূন্য থাকতে হবে, বিজোড়সংখ্যক হতে পারবে না। এর প্রমাণ কী? প্রমাণের জন্য আমরা প্রথমে ধরে নেব বর্গসংখ্যাটি (ক)২। যেহেতু, এর শেষ অঙ্কটি শূন্য, তাই সংখ্যাটি ১০-এর গুণিতক হবে। অর্থাৎ, সংখ্যাটির দুটি উৎপাদক হবে ৫ ও ২। কারণ, ৫ × ২ = ১০। যেহেতু, যেকোনো বর্গসংখ্যার মৌলিক উৎপাদকগুলো অবশ্যই জোড়ায় জোড়ায় হতে হবে, যেন প্রথম সেটে যে উৎপাদকগ
ধরা যাক, আপনি ২০তলা উঁচু ভবনের ছাদ থেকে একটা পিঁপড়া নিচে ফেলে দিলেন। এতে যে তার মরার কোনো আশঙ্কা নেই, তা সবাই বোঝে। কারণ, এত হালকাভাবে সে মাটিতে পড়বে যে টেরই পাবে না। পড়ামাত্রই সে হাঁটা শুরু করে দেবে। কিন্তু অন্য কিছু ফেললে তো ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। সাধারণভাবে আমরা ধরে নিই যে পিঁপড়ার ওজন কম বলেই তার কিছু হয় না। কথাটা এক অর্থে ঠিক। কিন্তু এর ভেতরে আরও কিছু হিসাব আছে। কোনো প্রাণীর দৈর্ঘ্য, প্রস্
সাধারণত অ্যাথলেট ও স্পোর্টসম্যান বা স্পোর্টসওয়োম্যানের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য করা হয় না। তবে এটা বলা যায়, স্পোর্টসম্যানরা খেলাধুলা, শরীরচর্চা, দৌড়ানো প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ও চর্চার মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করে তোলেন। তাঁরা পেশাদার বা শৌখিন খেলোয়াড় হতে পারেন। অ্যাথলেট শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে, যার অর্থ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী কোনো খেলোয়াড়। সুনির্দিষ্টভাবে বলা যায়, কোনো অ্যাথলেটিক ক্রীড়
হাজার বছরের প্রাচীন কোনো জমিদারবাড়ি বা রাজপ্রাসাদের বিভিন্ন প্রকোষ্ঠে ঘোরার সময় গা-ছমছম করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ক্ষুধিত পাষাণ-এ 'সব ঝুট হ্যায়, সব ঝুট হ্যায়' উক্তির মধ্যে অভিশাপের ইঙ্গিত রয়েছে। জয়দেবপুরের জমিদারবাড়িরে বিভিন্ন ঘর ও দিঘির ঘাটে দাঁড়ালে মনে কেমন ভয় ভয় করে। দিল্লির হুমায়ুনস টম্ব-এর নিচতলার অন্ধকার ঘরগুলোতে বা কুতুব মিনারের আধা-আঁধারে ঢাকা চক্রাকার সিঁড়ি, অথবা লালকেল্লার লাইট অ্যা
ডেলপাইন লমিরাত যিনি কার্ই ইনস্টিটিউটের একজন ডাক্তার, তিনি আমাদের অতিথি।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে পারে। অবশ্য হাত-পা বা অন্য কোনো অঙ্গে ছোটখাটো ব্যথা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সারিয়ে নেওয়ার উপায় শরীরের মধ্যেই থাকে। সে অর্থে শরীর বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিজের ডাক্তারি নিজেই করে। কিন্তু মস্তিষ্কের বিষয় ভিন্ন। মাথায় সামান্য আঘাতেই মানুষ জ্ঞান হারায়। তার পরও কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার নিজস্ব ব্যবস্থা মস্তিষ্কের রয়েছে। এখন পর্যন্ত মস্তিষ্কের কাজ সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের জানার পরিধি খুব স
ঠান্ডা লাগলে নাক দিয়ে পানি ঝরে। বারবার হাঁচি আসে। এর কারণ হলো ঠান্ডায় নাসারন্ধ ফুলে ওঠে। এ সময় বাতাসের সঙ্গে ধূলিকণা বা অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী কোনো বস্তুকণা নাকে ঢুকলে ফুলে ওঠা অংশে আঘাত করে। এর ফলে সৃষ্ট স্পর্শানুভূতিতে হাঁচির সৃষ্টি হয়। কিন্তু রাতে ঘুমের সময় সাধারণত ঘরের ভেতর মানুষ চলাফেরা করে না, ফলে বাতাসে ধূলিকণাও ওড়ে না। বাতাসে আলোড়ন না থাকলে ধুলাবালু মেঝেতে থিতিয়ে পড়ে। তাই রাতে ঘুমের সময় নাক
না, ঠিক জীবাণু মরে না, তবে জীবাণুগুলো যেন বাসা বাঁধতে না পারে, সে ব্যবস্থা করে। সাধারণত রাতে খাওয়ার পর দাঁত ঘষা ভালো। তাহলে রাতে ঘুমের সময় দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাদ্যকণা খেয়ে ব্যাকটেরিয়া বংশ বিস্তার ও দাঁতের গোড়ায় বাসা বাঁধার সুযোগ পায় না। এরাই দাঁতে গর্ত করে, যাকে আমরা পোকায় ধরা বলি। ফ্লসিং ও দাঁত মাজার ফলে ব্যাকটেরিয়া মরে না, শুধু ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ছড়িয়ে দেয় এবং তাদের খাদ্যের উৎস ঘষেমেজে, ধুয়ে
প্রাচীন ভারতের সাধু-সন্ন্যাসীরা চমকপ্রদ জাদু দেখাতেন। সিদ্ধিলাভকারী কোনো সাধক ছুঁমন্তর দিলেই মাটিতে লুটিয়ে থাকা একটি দড়ি সোজা হয়ে লম্বভাবে দাঁড়িয়ে যায়। যেন শীর্ণদেহী কেউ ঘুম থেকে উঠে দাঁড়াল! এ রকম চমৎকার খেলা এখনো অনেক জাদুকর দেখাতে পারেন। তবে তার পেছনে কিছু কৌশল থাকে। দর্শকেরা তা খালি চোখে দেখে বুঝতে পারেন না। এটাই জাদুকরের কৃতিত্ব। এর পেছনে অলৌকিক কিছু নেই, থাকতে পারে না। হাত ছাপাই মাত্র। অথবা স
ফুলের গন্ধের আকর্ষণে বিভিন্ন পোকামাকড় ফুলের চারপাশে ভিড় করে। তখন এদের গায়ে ফুলের রেণু লেগে যায়। এরপর ওরা যখন অন্য ফুলে যায়, তখন তাদের পাখা ও গায়ে লেগে থাকা রেণু সেখানে মিশে যায়। এভাবে ফুলের পরাগায়ন হয়, যা তাদের বংশ বিস্তারের জন্য প্রয়োজন। গন্ধ না থাকলে গাছের বংশ বিস্তার কঠিন হতো। যেসব ফুলের গন্ধ থাকে না, তাদের থাকে চোখ ধাঁধানো রং। সেই রঙের আকর্ষণে অনেক ফড়িং, প্রজাপতি ফুলে ফুলে ঘুরে ঘুরে পরাগায়নে স
আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি জ্যাভিয়ার মিলেই বলেছেন যে "নিজেদের আত্মসমর্পন" ফলকে ফলপ্রদ করে না।
গবেষকরা প্রমাণ পেয়েছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে ডি. এই আবিষ্কার নতুন চিকিৎসার দিকে এগিয়ে যেতে পারে যা মস্তিষ্কের ডপামিন সিস্টেমকে লক্ষ্য করে।