বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়

physics

বিশ্ব

তেজস্ক্রিয়তা ও কুরি দম্পতির কারিকুরি

মেরি কুরি। প্রথম নারী হিসেবে স্বামী পিয়েরে কুরির সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞানে পেয়েছেন নোবেল পুরস্কার। তিনি একমাত্র নারী হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে নোবেল জিতেছেন। আজ তাঁর জন্মদিনে সেই গল্পটাই জানা যাক... আধুনিক জার্মানি আর চেক রিপাবলিকের সীমান্ত এলাকা। ১৬ শতকের শুরুতে এই অঞ্চলকে দুই ভাগে বিভক্ত করে মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিল রুক্ষ এক পর্বতশ্রেণি। এক পাশে স্যাক্সোনি আর আরেক পাশে বোহেমিয়া। পাহাড় ছাড়াও ছিল অভেদ্য

বিশ্ব

কোয়ান্টাম জগৎ: কোয়ান্টাম কণারা কেন এক জায়গায় স্থির থাকতে পারে না

আগের পর্বপরমাণু কেন ধসে পড়ে না—তা চমৎকারভাবে ব্যাখ্যা করেছিল বোরের পরমাণু মডেল। একই সঙ্গে মডেলটি ব্যাখ্যা করেছিল, হাইড্রোজেন পরমাণু কেন স্রেফ নির্দিষ্ট রঙের আলো শোষণ বা নিঃসরণ করে। তবে সেখানে ছোট্ট একটি সমস্যাও ছিল। মডেলটি কেবল হাইড্রোজেন পরমাণুর জন্যই খাটত! পর্যায় সারণির বাকি মৌলগুলোর বিশাল তালিকার ক্ষেত্রে মডেলটি ছিল পুরোপুরি ব্যর্থ। এসব মৌলের পরমাণু কোন রঙের আলো শোষণ করবে বা নিঃসরণ করবে, তা এ

বিশ্ব

একটি সাধারণ ঘরে প্রায় পরমশূন্য তাপমাত্রার কোনো বস্তু রাখলে কী ঘটবে

ধরুন, কোন এক শীতের সকালে আপনি রান্নাঘরে ঢুকলেন। টেবিলের ওপর রাখা আছে এক টুকরো তামা। দেখতে আর দশটা তামার টুকরোর মতোই। কিন্তু এর তাপমাত্রা পরম শূন্যের মাত্র কয়েক ডিগ্রি ওপরে। অর্থাৎ, প্রায় মাইনাস ২৬৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস! এবার সেটি ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিলেন। কী ঘটবে তখন?হয়তো ভাবছেন, তামার টুকরোটির চারপাশে মুহূর্তেই বরফ জমতে শুরু করবে। জানালার কাচ ঢেকে যাবে সাদা কুয়াশায়। একটু পর পুরো ঘরট

বিশ্ব

কোয়ান্টাম জগৎ: মহাবিশ্ব কীসের তৈরি, কণা নাকি তরঙ্গ

আগের পর্বচিরায়ত কণারা প্রকৃতির নিয়ম মেনেই আমাদের চেনা কণার মতো আচরণ করে। ব্যাপারটা বোঝার জন্য সমুদ্রসৈকত থেকে কিছু চিরায়ত কণা হাতে তুলে নেওয়ার কথা ভাবো। অবশ্য এখানে সেই ‘কণা’ বলতে আসলে বালুকণাই বোঝাচ্ছি। এবার একটি কাঠের পাটাতনে পাশাপাশি দুটি সরু ছিদ্র কেটে নাও। সেই দুটি ছিদ্রের ওপর দিয়ে বালুকণাগুলো ছিটিয়ে দাও। প্রতিটি বালুকণা দুটি ছিদ্রেরযেকোনো একটির মধ্য দিয়ে যাবে। তারপর ছিদ্রদুটির নিচে তৈ

বিশ্ব

পারমাণবিক বিস্ফোরণে বাংকারে আশ্রয় নিয়ে কি বেঁচে থাকা যাবে

বিশ্বজুড়ে এখন স্বীকৃত ৯টি দেশের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র আছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার হাতে আছে সবচেয়ে বেশি। মোট পারমাণবিক অস্ত্রের প্রায় ৮৮ থেকে ৯০ শতাংশ মজুদ আছে এই দুই দেশের কাছে। এই দুই দেশই বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলে সরাসরি যুদ্ধে জড়িত। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে ২০২২ সাল থেকে। আবার ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধে জড়িত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ। ২০২৫ সালের হিসাব

বিশ্ব

হিমাঙ্কের নিচেও পানি তরল থাকে কীভাবে

ধরুন, শীতের রাতে একটি পানির বোতল ফ্রিজে রেখে দিলেন। পরদিন সকালে বোতলটি বের করে দেখলেন, পানি এখনো স্বচ্ছ ও তরল (অবাক হবেন না, বিশেষ পরিস্থিতে এমনটা সম্ভব)। অথচ থার্মোমিটার বলছে, পানির তাপমাত্রা মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস! অবাক হওয়ার মতোই ঘটনা। কারণ, আমরা জানি, ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বরফ হয়ে যায়। তাহলে মাইনাস ১০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পানি তরল থাকল কীভাবে?এবার বোতলটিতে আলতো করে একটা টোকা দিন, ব

বিশ্ব

কোয়ান্টাম জগৎ: যেখানে লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের চাবিকাঠি

একটি বল ছুড়ে দিলে সেটি কোথায় গিয়ে পড়বে, সুইচ দিলে ঘর কীভাবে আলোকিত হবে কিংবা কোনো দেয়াল টপকাতে হলে কতটা শক্তি দরকার—এসব প্রশ্নের উত্তর আমরা মোটামুটি জানি। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের চেনা জগৎ চলে খুব পরিচিত কিছু নিয়ম মেনেই। কিন্তু বস্তুকে যদি ক্রমাগত ছোট করতে করতে একদম পরমাণু ও ইলেকট্রনের জগতে পৌঁছে যাওয়া যায়, তখন?সেখানে দেখা যায়, প্রকৃতি যেন তার চেনা নিয়মগুলোই নতুন করে লিখেছে! ক্ষুদ্র কণিকারা কখনো কণা

বিশ্ব

আমার কাছে নিউট্রিনো ততটাই বাস্তব, যতটা বাস্তব সামনে রাখা কফির কাপটা—ফ্রান্সিস হ্যালজেন

প্রতি মুহূর্তে অসংখ্য অদৃশ্য কণা ছুটে যাচ্ছে আমাদের শরীরের ভেতর দিয়ে। আমি-আপনি বসে আছি, হাঁটছি, ঘুমাচ্ছি কিংবা এই লেখাটি পড়ছি—কোনো অবস্থাতেই এই কণার যাওয়া আসা থামানো সম্ভব নয়। এসব কণা আমাদের শরীরের ভেতর দিয়ে চলে যাচ্ছে, অথচ আমরা কিছুই টের পাচ্ছি না। এমনকি এতে আমাদের শরীরের কোনো ক্ষতিও হচ্ছে না। এই কণাগুলোর নাম নিউট্রিনো।নিউট্রিনো নিয়ে গবেষণার জন্যই এ বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজি

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও পানি তরল থাকে কীভাবে

আগের পর্বএতক্ষণে নিশ্চয়ই বোঝা গেছে, পানি জমে যাওয়ার বিষয়টি শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না। পানি বরফে পরিণত হওয়ার জন্য একটি সূচনাবিন্দু প্রয়োজন হতে পারে। পরিষ্কার ও স্থির পানিতে সেই সূচনাবিন্দু তৈরি হতে দেরি হলে পানি হিমাঙ্কের নিচেও তরল থাকতে পারে। এই অবস্থাকে বলে অতিশীতলীকরণ। ফ্রিজারে রাখা একটি পরিষ্কার বোতলের পানি মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও তরল থাকতে পারে। কিন্তু বোতলে টোকা দিলে বা

বিশ্ব

বিজ্ঞানীর সবচেয়ে বড় ক্ষমতা হলো মানসিক শক্তি

ভারতের নামী তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী অশোক সেন। সম্প্রতি প্রথম ভারতীয় বাঙালি বিজ্ঞানী হিসেবে পেয়েছেন অস্কার ক্লেন মেডেল। এর আগে এই পুরস্কার পেয়েছেন স্টিফেন হকিং, পিটার হিগসের মতো বহু কিংবদন্তি বিজ্ঞানসাধকেরা। অশোক সেন বর্তমানে টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরেটিক্যাল সায়েন্সেসে কর্মরত।তিনি ১৯৫৬ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে করে

বিশ্ব

অতিশীতল পানির ফোঁটা থেকে জমাট বৃষ্টি তৈরি হয় কীভাবে

আগের পর্বশুধু ফ্রিজারের বোতলেই নয়, শীতের বৃষ্টিতেও অতিশীতল পানির ভূমিকা আছে। কখনো কখনো আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে পড়ে, কিন্তু মাটিতে পড়ার সঙ্গেই তা বরফে পরিণত হয়। রাস্তা, গাছের ডাল, গাড়ির কাচ কিংবা বিদ্যুতের তারের ওপর বরফের আস্তরণ তৈরি হয়। এ ঘটনাকে বলে জমাট বৃষ্টি বা ফ্রিজিং রেইন। এর জন্য বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রার একটি বিশেষ বিন্যাস প্রয়োজন। প্রথমে ওপরের ঠান্ডা অঞ্চলে বরফের কণা বা তুষার তৈরি হয়। নিচের দিকে

বিশ্ব

২০২৭ সালে চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে লিপ সেকেন্ড

চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই যে সময়টুকু পার হয়ে যায়, তা নিয়ে কি আপনি কখনো মাথা ঘামান? আপনার-আমার কাছে এক সেকেন্ডের হয়তো তেমন কোনো দাম নেই। ঘড়ির কাঁটার একটা ‘টিক’ শব্দই তো মাত্র! কিন্তু এই আপাত তুচ্ছ এক সেকেন্ড নিয়েই গত তিন দশক ধরে বিশ্বের বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীদের মধ্যে রীতিমতো তুমুল তর্কবিতর্ক ও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছিল! অবশেষে সেই তর্কের অবসান ঘটতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আ

বিশ্ব

আমাদের পৃথিবী উষ্ণ ও পর্বতসঙ্কুল কেন

পৃথিবীতে প্রাকৃতিকভাবে যেসব পরমাণু পাওয়া যায়, তার বেশির ভাগ স্থিতিশীল। এসব পরমাণু যে মৌল হিসেবে তৈরি হয়েছিল, আজও সেই মৌল হিসেবেই টিকে আছে। এদের কোনোটা তৈরি হয়েছিল মহাবিশ্বের জন্ম মুহূর্তের মহাবিস্ফোরণের সময়। কোনোটা তৈরি হয়েছিল নক্ষত্রের ভেতরে চলতে থাকা নিউক্লয়ার ফিউশন১ বা পারমাণবিক সংযোজন প্রক্রিয়ায়। আবার কোনোটা তৈরি হয়েছিল বিশাল নক্ষত্রের ভয়ংকর মৃত্যুকালের সুপারনোভা বিস্ফোরণে।এই স্থিতিশীল পরমাণুগ

বিশ্ব

উত্তাল নদী পুরোপুরি জমে যায় না কেন

আগের পর্বশীতকালে নদীর পানি জমে যাওয়ার দৃশ্য আমরা অনেক ছবিতে দেখি। কিন্তু নদীর সব পানি একসঙ্গে জমে যায় না কেন? বিশেষ করে যেখানে স্রোত প্রবল, সেখানে কী ঘটে? একটি নদীকে বিশাল আকারের মিশ্রণযন্ত্র হিসেবে কল্পনা করা যায়। নদীর স্রোত পানিকে নড়াচড়া করায়। ফলে ওপরের ঠান্ডা পানি ও নিচের তুলনামূলক উষ্ণ পানির মধ্যে মিশ্রণ ঘটে। নদীর তলদেশ থেকে উঠে আসা উষ্ণ পানি ওপরের স্তরকে ঠান্ডা হতে বাধা দিতে পারে। তাই নদীর পা

বিশ্ব

নাড়াচাড়া করে কি পানি জমে যাওয়া রোধ করা যায়

আগের পর্বএবার সেই প্রকৌশলীর প্রশ্নে ফেরা যাক। দ্রুত ঘুরতে থাকা সিমেন্ট মিক্সারের ড্রাম কি প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যেও পানিকে তরল রাখতে পারবে? প্রশ্নটির একটি অংশের উত্তর হ্যাঁ। নড়াচড়া ও ঘর্ষণের কারণে যান্ত্রিক শক্তির কিছু অংশ তাপে রূপান্তরিত হতে পারে। উনিশ শতকের চল্লিশের দশকে বিজ্ঞানী জেমস প্রেসকট জুল একটি পাত্রে রাখা পানির মধ্যে প্যাডেল ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন, যান্ত্রিক কাজের ফলে পানির তাপমাত্রা বাড়তে পারে

বিশ্ব

অতিশীতল পানিতে টোকা দিলেই বরফ জমে যায় কেন

আগের পর্বএবার ফিরে আসা যাক সেই বোতলের ঘটনায়। ফ্রিজার থেকে বের করা পানির বোতলটি স্বচ্ছ ও তরল। কিন্তু টেবিলে টোকা দিতেই বরফ জমতে শুরু করে। অথচ বোতলের গায়ে থাকা পৃষ্ঠ বা পানির ভেতরে থাকা কণাগুলো তো আগেও ছিল। তাহলে একটি টোকা কীভাবে এত বড় পরিবর্তন ঘটায়? বিজ্ঞানীরা এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। ১৯০৬ সালে বার্নস দেখান, প্রবল আলোড়নের ফলে পাতিত পানি তুলনামূলক বেশি তাপমাত্রায় জমে

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

পানি সর্বনিম্ন কত তাপমাত্রায় ঠান্ডা হয়েও তরল থাকতে পারে

আগের পর্বপানিকে অতিশীতল করারও একটি সীমা আছে। পৃষ্ঠতল বা বাইরের কোনো কণা বরফ তৈরির সূচনা না করলেও পানির অণুগুলো নিজেরাই দৈবক্রমে এমন গুচ্ছ তৈরি করতে পারে, যা স্থায়ী বরফের স্ফটিকে পরিণত হয়। তাপমাত্রা যথেষ্ট কমে গেলে এই প্রক্রিয়া দ্রুত ঘটতে থাকে। মেঘের আকারের ছোট পানির ফোঁটার ক্ষেত্রে এই সীমা প্রায় ২৩৫ কেলভিন, অর্থাৎ মাইনাস ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফোঁটার আকার ও অন্যান্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সীমাটি ক

বিশ্ব

পানি হিমাঙ্কের নিচেও তরল থাকে কীভাবে

আগের পর্ববাস্তব জগতে বরফ তৈরির সূচনা সাধারণত কোনো পৃষ্ঠ, ধুলার কণা কিংবা আগে থেকে থাকা বরফের স্ফটিকের মাধ্যমে হয়। এমন পৃষ্ঠ বা কণা পানির অণুগুলোকে বরফের মতো সুশৃঙ্খল বিন্যাসে সাজতে সাহায্য করতে পারে। ধরুন, এক বোতল পানি খুব ভালোভাবে পরিশোধন করে একটি পরিষ্কার পাত্রে রাখা হলো। পানিতে বরফের কণা নেই, পাত্রের ভেতরের পৃষ্ঠও মসৃণ। এরপর বোতলটি নাড়াচাড়া না করে ধীরে ধীরে ঠান্ডা করা হলো। এমন পরিস্থিতিতে বরফ ত

বিশ্ব

০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেই পানি জমে যায় না কেন

ধরুন, শীতের রাতে একটি পানির বোতল ফ্রিজে রেখে দিলেন। পরদিন সকালে বোতলটি বের করে দেখলেন, পানি এখনো স্বচ্ছ ও তরল (অবাক হবেন না, বিশেষ পরিস্থিতে এমনটা সম্ভব)। অথচ থার্মোমিটার বলছে, পানির তাপমাত্রা মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস! অবাক হওয়ার মতোই ঘটনা। কারণ, আমরা জানি, ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বরফ হয়ে যায়। তাহলে মাইনাস ১০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পানি তরল থাকল কীভাবে?এবার বোতলটিতে আলতো করে একটা টোকা দিন, ব

বিশ্ব

৩০ হাজার বছর আগের আলো

নিউট্রিনোকে বলা হয় ভূতুড়ে কণা। সূর্যের একদম কেন্দ্রের ভেতর পারমাণবিক বিক্রিয়া হওয়ার সময় বিপুল সংখ্যক নিউট্রিনো কণা তৈরি হয়। ব্যাপারটা বিজ্ঞানীদের কাছেও বিস্ময়কর। আরও বিস্ময়ের ব্যাপার হল, একশ বিলিয়ন নিউট্রিনো এই মুহূর্তে মানে মাত্র এক সেকেন্ড সময়ে আপনা বুড়ো আঙুল ভেদ করে চলে গেল। স্রেফ বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। কিন্তু দেখতে তো পারলেন না! বুঝতেও পারলেন না, হায়! অবশ্য চেষ্টাচরিত্র করেও সাধারণভাবে এই কণাকে দেখ