বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়

treatise

বিশ্ব

হৃদয়ের আবেগ ও মস্তিষ্কের বিদ্যা: কোন পথে আজকের কবিতা

কবিতা লেখার মুহূর্তে কবির ভেতরে ঠিক কী ঘটে—এই প্রশ্ন যুগে যুগে সাহিত্য আলোচকদের ভাবিয়েছে। কেউ বলেন, কবিতা হৃদয়ের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস, যা যুক্তির নিয়ন্ত্রণকে অস্বীকার করেই জন্ম নেয়। আবার কেউ বলেন, কবিতা নিছক আবেগের বিস্ফোরণ নয়; বরং এক সচেতন নির্মাণ, যেখানে ভাষা, ছন্দ, চিত্রকল্প ও অর্থের স্তর নিয়ে কবিকে ভাবতে হয় প্রকৌশলীর মতোই সতর্কতায়। বাংলা কবিতার ইতিহাসে এই দুই ধারা বারবার মুখোমুখি হয়ে

বিশ্ব

বাংলা সাহিত্যের জাপানি অনুবাদক কিওকো নিওয়ার চোখে শামসুর রাহমান

জানতে চাইছিলাম, তাঁর নিজের কবিতা রচনার এতটা প্রেরণা আর উত্স কোথায়। এক শব্দে স্পস্ট করে প্রশ্নটির যে উত্তর তিনি দিয়েছেন তা হলো, ‘জীবন।’

বিশ্ব

জলতলের প্রত্নরত্ন: একটি চিঠি ও ঢাকার কালে খাঁ কামান

মোগল আমলের ঢাকাকে মসজিদের শহরের মতো কামানের শহর বললে অত্যুক্তি হবে কি? সে আমলে এই ঢাকায় নির্মিত হয়েছে নানা আকারের ও নানা ধরনের কামান, যার সাক্ষী ইতিহাসের পাতায় রয়েছে। ঢাকা ও তার আশপাশে নানা স্থানে মাটির নিচে অতীতের মতো এখনো মোগল বা সুলতানি আমলের অনেক কামান পাওয়া যায়। ঢাকার ইতিহাসপ্রেমীরা আজও দুটি কামানের কথা স্মরণ করেন—একটি মীর জুমলার বিবি মরিয়ম কামান, যা বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গ

বিশ্ব

মৌখিক সভ্যতার প্রত্যাবর্তন

মানুষের সভ্যতাকে বদলে দিয়েছিল লেখার আবিষ্কার, বই ও পাঠের বিস্তার। অথচ ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে মানুষ ক্রমেই বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, ফিরছে শোনা ও দেখার জগতে। এই প্রত্যাবর্তন কি নতুন এক মৌখিক সভ্যতার সূচনা, যার অভিঘাতে বদলে যাবে সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও মানুষের চিন্তার ধরন?আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরিতে নাকি সাত লাখ বই ছিল। বই না বলে প্যাপিরাসের স্ক্রল বললে সঠিক বলা হবে। প্লেটো–অ্যারিস্টটল থেকে শুরু করে স

বিশ্ব

তিতাস একটি যদির নাম: ঋত্বিক ঘটকের ১০১তম জন্মবর্ষে

তিতাস একটি নদীর নাম, যা অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১৯১৪-১৯৫১) আমাদের শিখিয়েছিলেন আর ঋত্বিক ঘটক (১৯২৫-১৯৭৬) দেখালেন যে সেই নদী কীভাবে শুকিয়ে যায়।

বিশ্ব

হাজার বছর আগের জাপানি উপন্যাস: দ্য টেল অব গেঞ্জি

‘দ্য টেল অব গেঞ্জি’ লেখা হয় জাপানের হেইয়ান যুগের (নবম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী) মধ্যবর্তী সময়ে। বৃহদায়তন এ উপন্যাস ইংরেজি অনুবাদে ১০০০ পৃষ্ঠার বেশি। অধ্যায় ৫৪।

বিশ্ব

তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি: ঐতিহাসিকতা ও রাজনৈতিকতা

তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি আমরা পড়ব বাংলা ভাষ্য থেকে। মূল ইংরেজি থেকে ডায়েরির অনুবাদ করেছেন প্রধানত কবি বেলাল চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে কখনো কখনো যোগ দিয়েছেন লেখকের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি। এ অনুবাদ প্রশংসনীয়। মূলের সঙ্গে মিলিয়ে অনুবাদের ন্যায্যতা পরীক্ষা করার সুযোগ আমাদের হয়নি। তবে বাংলা ভাষ্য পড়ে অনুবাদের প্রাঞ্জলতার সঙ্গে সঙ্গে মূলের প্রতি নিষ্ঠারও জোরালো আন্দাজ পাওয়া যায়। এ অনুবাদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হ

বিশ্ব

মির্জা নাথানের চোখে: বাংলার বারভূঁইয়াদের হাতি

মোগল বাহিনীর হয়ে বাংলাদেশে ১৬ বছর যুদ্ধ করেন মির্জা নাথান। সে ইতিহাস তিনি লিখেছেন ‘বাহারীস্তান-ই-গায়বী’ বইটিতে। প্রতিপক্ষ হলেও বারভূঁইয়াদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের কথা লিখেছেন তিনি। ভোলেননি সেসব হাতির কথা, যেগুলোর কাছে মোগল বাহিনী নাকাল হয়েছে। ‘মির্জা নাথানের চোখে: বাংলার বারভূঁইয়াদের হাতি’ শিরোনামে প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে ইতিহাসের সেই কিংবদন্তিগাথা প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর। আজ লেখাটি অ

বিজ্ঞাপন